Home / স্বাস্থ্য / হাড় মজবুত রাখার জন্য কার্যকরী খাবার

হাড় মজবুত রাখার জন্য কার্যকরী খাবার

আমাদের দেহের সঠিক পরিচালনার জন্য হাড়ের গুরুত্ব অনেক বেশি। আমাদের দেহকে ধারণ করে রাখে আমাদের দেহের ভেতরে হাড়ের তৈরি কঙ্কাল। হাড়ের গঠন একটু ভিন্ন হলেই আমরা হতে পারতাম জড় পদার্থ।

কিন্তু আমরা ভেবে দেখেছি কি, এই হাড়ের সুস্থতায় আমরা কতোটা সতর্কতা পালন করি? আমরা দেহের সুস্থতার জন্য অনেক কাজ করি, অনেক ধরণের খাবার খাই। সতর্ক থাকি আমাদের হৃদপি-, মস্তিষ্ক, কিডনি, লিভার সহ সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গের। কিন্তু ভুলে যাই হাড়ের যতেœর কথা।

ছোটবেলা থেকে হাড়ের যতœ নেয়ার অভ্যাস না হলে হাড়ের ভঙ্গুরতা বৃদ্ধি পায়। হাড় হয় দুর্বল এবং নরম। বয়স বাড়তে না বাড়তেই হাঁটাচলার ক্ষমতা কমে যেতে শুরু করে, হয় নানান রকমের রোগ। তাই আমাদের প্রত্যেকের হাড়ের সুস্থতা মাথায় রেখে কাজ করতে হবে। খেতে হবে হাড় মজবুত রাখার জন্য কার্যকরী খাবারগুলো।

দুধ:

হাড়ের সুস্থতায় ক্যালসিয়াম বেশ কার্যকরী উপাদান। এবং দুধ সব চাইতে ভালো ক্যালসিয়ামের উৎস। দুধের ক্যালসিয়াম খুব সহজে আমাদের দেহ হজম করে পুষ্টি গ্রহন করতে পারে। ছোটবেলা থেকেই দুধ খাওয়ার অভ্যাস করা উচিৎ। শুধুমাত্র ছোটোদের নয় বড়দেরকেও হাড়ের সুস্থতায় প্রতিদিন দুধ পান করার অভ্যাস করতে হবে।

দই:

দই প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ একটি খাবার। এছাড়াও দইয়ে রয়েছে দেহের জন্য ভালো ব্যাকটেরিয়া। এই ব্যাকটেরিয়া হাড়ের জয়েন্টের সুরক্ষায় কাজ করে। মাত্র ১ কাপ দইয়ে রয়েছে ৪০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম যা হাড় মজবুত করতে বেশ কার্যকরী।

প্রতিদিন না হোক সপ্তাহে অন্তত ৩/৪ দিন ফ্যাট ছাড়া দই খাবার অভ্যাস করুন হাড়ের গঠনের জন্য। এছাড়া দুগ্ধজাত খাবারের মধ্যে চীজও আমাদের হাড়ের গঠনে বেশ ভালো ভূমিকা রাখে।

ডিম:

ডিমকে বলা হয় ‘সুপারফুড’। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং মিনারেলস। প্রোটিনের সব চাইতে ভালো উৎস হচ্ছে ডিম। যা হাড়ের গঠন মজবুত করে। এবং এতে ক্যালোরিও থাকে বেশ কম।তাই হাড়ের সুস্থতায় দিনে অন্তত ১ টি ডিম খাওয়ার অভ্যাস করুন।

সবুজ শাকসবজি:

পালং শাক, সবুজ শাক, বাঁধাকপি, ব্রকলি, লেটুস, শালগম ইত্যাদি উদ্ভিদ প্রোটিনের সব চাইতে ভালো উৎস। হাড়ের সুরক্ষায় প্রতিদিনের খাবার তালিকায় এই খাবারগুলো রাখার চেষ্টা করুন। এবং ছোটোদের এই সব খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এতে হাড় হবে মজবুত।

কমলালেবু:

কমলালেবু এবং লেবু জাতীয় ফলমূলে রয়েছে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি। ভিটামিন ডি দেহে ক্যালসিয়াম হজম এবং গ্রহনে সহায়তা করে। সকালের নাস্তায় কিংবা বিকেলে কমলালেবু কিংবা কমলালেবুর তাজা রস খাবার অভ্যাস করুন।

তৃণ এবং মশলা:

দারুচিনি, রসুন, পুদিনা পাতা ইত্যাদি শুধুমাত্র রান্নায় স্বাদ বাড়ানোর কাজে ব্যবহার করা হয় বলেই আমরা জানি। কিন্তু এই সকল মশলা এবং তৃণ জাতীয় খাবারে রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম যা আমাদের হাড়ের সুরক্ষায় কাজ করে।

ফেসবুক আইডি থেকে মন্তব্য করতে পারেন

টি মন্তব্য