Home / সচেতনতা / মিথ্যা বলা মহাপাপ জানার পরও যেভাবে কারনে অকারনে মিথ্যা বলছি

মিথ্যা বলা মহাপাপ জানার পরও যেভাবে কারনে অকারনে মিথ্যা বলছি

মিথ্যা বলা মহাপাপ। এটা জানার পরও অনেক ক্ষেত্রেই আমরা প্রতিদিন কাজের মাঝে বেশ কিছু মিথ্যা কথা বলি যা খুব সহজেই চলে আসে ঠোঁটের ডগায়। আমরা জানি মিথ্যা কথা বলা ঠিক নয়, তাও বলে ফেলি। এভাবে মিথ্যা বলার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে শিশুদের ওপর।

শিশুরা যখন দেখে বাবা, মা, ভাই বা বোন মিথ্যা বলছে তখন শিশুটিও কারনে অকারনে মিথ্যা বলায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। কিভাবে নিজের অজান্তেই আমরা মিথ্যা বলি তার কিছু উদহারন দেয়া যাক।

ফোনে চার্জ ছিল না: অনেক সময়ে কোনও নির্দিষ্ট ফোন ধরতে না চাইলে অমরা মোবাইল অফ করে দিই। পরে জানতে চাইলে বলি, ‘মোবাইলে চার্জ ছিল না।’

রিং শুনতে পাইনি : কোনও ফোন ধরতে না চাইলে আমরা এই বক্তব্য়ের আশ্রয় নিই। অনেক সময়ে বহু কাছের মানুষের ফোনও আমরা ধরি না। পরে জিজ্ঞাসা করলে বলি, মোবাইলের রিং টোন শুনতে পাইনি।

ট্রাফিকে আটকে গিয়েছি: কোথাও পৌঁছতে গিয়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা দেরি করি এবং গন্তব্য়ে পৌঁছে রাস্তায় যানজটের গল্প শোনাই।

লিফট কাজ করছিল না : এখন প্রায় সব অফিসেই নিয়মের কড়াকড়ি থাকে। দেরি হলে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হতে পারে আমরা হয় বলি রাস্তায় দেরি হয়েছে, অথবা অফিস বিল্ডিংয়ের লিফট ঠিকমতো কাজ না করায় ঢুকতে দেরি হয়েছে।

একটু পরে ফোন করছি : অনেক সময়ে আমরা কোনও কাজে ব্যস্ত থাকার সময়ে ফোন এলে পরে ফোন করব বলে আমরা রেখে দিই। কিন্তু পরে আর ফোন করা হয়ে ওঠে না।

শরীর ঠিক নেই: কখনও কখনও কোনও জায়গায় যেতে না চাইলে বা কোনও কাজ করতে না চাইলে আমরা শরীর খারাপের বাহানা দিই।

কাজে ব্যস্ত রয়েছি : কখনও কখনও বাড়ির বিছানায় আরাম করতে করতে বা সোফায় গা এলিয়ে আমরা কাজে ব্যস্ত থাকার কথা বলে থাকি।

সময় নেই : কোনও কাজ এড়িয়ে যেতে চাইলে আমরা সময়ের অপ্রতুলতার কথা জানাই।

ফেসবুক আইডি থেকে মন্তব্য করতে পারেন

টি মন্তব্য