Home / স্বাস্থ্য সচেতনতা / ১০টি কারণে শসা মিশ্রিত পানি পান করবেন প্রতিদিন!

১০টি কারণে শসা মিশ্রিত পানি পান করবেন প্রতিদিন!

স্বাস্থ্যকর ভাবে জীবনযাপন করতে হলে আসলে খুব বেশি কষ্ট করার প্রয়োজন নেই, দরকার শুধু একটু সচেতনতা। তাই প্রতিদিনের জীবনযাপন প্রণালীতে সামান্য কিছু পরিবর্তন এনেই আমরা তা করতে পারি। যেমন প্রতিদিনের খাবার পানিতে আমরা কিছু শসা মিশিয়ে পান করতে পারি। শসা মিশ্রিত পানি শুধু যে দেহকে ঠাণ্ডা করে তা নয় এর অনেক রোগ নিরাময় যোগ্য উপকারিতা রয়েছে। শসাতে রয়েছে উচ্চ মাত্রার ভিটামিন বি, সি ও কে, কপার, ম্যাঙ্গানিজ, পলিফেনল ও অন্যান্য জৌগ। প্রতিদিন শসা মিশ্রিত পানি খেলে দেহকে পুষ্টির অভাবজনিত অবস্থা থেকে দূরে রাখা সম্ভব হয়।
যেভাবে বানাবেন

শসা কুচি ও খাবার পানি একটি বড় পানির জারে নিয়ে ১ ঘন্টা রেখে দিতে হবে। তারপর সেই পানি সারাদিন খেতে হবে।
কেন পান করবেন শসা মিশ্রিত পানি
দেহের পেশী ও হাড়ের জন্য উপকারী

শসা হচ্ছে সিলিকার খুব ভাল উৎস যা সংযোগ কলাকে শক্তিশালী করে হাড়ের স্বাস্থ্য উন্নত করার জন্য পরিচিত।
ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী

শসাতে থাকা সিলিকা ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে পরিস্কার ও নমনীয় রাখতে সাহায্য করে। শসার সিলিকন ও সালফার চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
শসা মূত্রবর্ধক

দেহে পানি জমে থাকার ফলে ওজন বৃদ্ধি পায়। কিন্তু শশা দেহের জমে থাকা পানি বের করে দেয়ার ক্ষেত্রে ঔষধের মত কাজ করে।অতিরিক্ত জমে থাকা পানি মূত্রের মাধ্যমে দেহ থেকে বের করে দেয়।
দেহের বিষাক্ততা দূরীকরণে

শসা মিশ্রিত পানি খেলে তা দেহের বিষাক্ততা দূর করতে সাহায্য করে।
কিডনীর জন্য উপকারী

শশা ইউরিক এসিড এর মাত্রা কমায় যার ফলে কিডনীর স্বাস্থ্য ভাল থাকে।
খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়

শসাতে থাকে স্টেরল নামক যৌগ যা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে

শসায় থাকে lariciresinol, pinoresinol এবং secoisolariciresinol যা বেশ কয়েক ধরনের ক্যান্সার এর ঝুকি কমাতে সাহায্য করে
মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে

শসায় থাকা ফাইটোক্যামিকেল মুখের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে।
মস্তিস্ককের স্বাস্থ্য রক্ষা করে

শসাতে রয়েছে প্রদাহ বিরোধী fisetin নামক ফ্ল্যাভোনল যা মস্তিস্কের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে।

লেখক
শওকত আরা সাঈদা(লোপা)
জনস্বাস্থ্য পুষ্টিবিদ
এক্স ডায়েটিশিয়ান,পারসোনা হেল্‌থ
খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান(স্নাতকোত্তর)(এমপিএইচ)

তথ্য সূত্রঃ
living traditionally

ফেসবুক আইডি থেকে মন্তব্য করতে পারেন

টি মন্তব্য